1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ সাব-রেজিস্ট্রার, অভিযোগ ঘুষ বাণিজ্যের! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন

৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ সাব-রেজিস্ট্রার, অভিযোগ ঘুষ বাণিজ্যের!

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫
  • ১৪৬ বার পঠিত
সাব-রেজিস্ট্রার

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে পাঁচ ঘণ্টা কারাগারের মতো আটকে ছিলেন সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকার। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ছাত্র-জনতা ও ভুক্তভোগীরা তাকে ভেড়ামারা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আটকে রাখেন। পরে রাত ১১টায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার হোসাইন ও ভেড়ামারা থানার ওসি শেখ শহীদুল ইসলাম সঙ্গী পুলিশ ফোর্স নিয়ে তাকে কার্যালয় থেকে উদ্ধার করেন।

জানা গেছে, বোরহান উদ্দিন পার্শ্ববর্তী দৌলতপুর উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত থাকলেও অতিরিক্ত দায়িত্বে প্রথম দিন ভেড়ামারায় আসেন। সেখানেই তাকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও ভুক্তভোগীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। তাদের দাবি, বোরহান উদ্দিন তার ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করার নামে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ, কিছু দলিলের ভুল সংশোধনের জন্য ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ভেড়ামারার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘রাকিব হোসেনের আত্মীয়ের দলিলে নাম ভুলের কারণে সাব-রেজিস্ট্রারের সহকারী ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে, যার কল রেকর্ডও রয়েছে।’

দৌলতপুর থেকে আসা দলিল লেখক রফিক বলেন, ‘বোরহান উদ্দিন ত্রুটিপূর্ণ দলিলগুলোও টাকার বিনিময়ে রেজিস্ট্রি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।’

বোরহান উদ্দিন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি ঘুষের সঙ্গে যুক্ত নই। জনগণের উপকার করতে গিয়ে আমি ফেঁসে গেছি। তার মোবাইল নম্বর আমার কাছে নেই, নামও মনে পড়ছে না।’

উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তদন্ত শুরু করব।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..